১। টু-ডাইমেনশনাল (2D) অ্যানিমেশন :
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থাকে, গভীরতা নেই। কম্পিউটারে ভেক্টর গ্রাফিক্স দিয়ে চরিত্র বানিয়ে তার অংশগুলো নড়ানো হয়। সাধারণত সফটওয়্যার দিয়ে কিফ্রেম ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ: কার্টুন।
২। থ্রি-ডাইমেনশনাল (3D) অ্যানিমেশন :
থ্রিডি মডেল বানিয়ে আলো, ছায়া ও ইফেক্ট যোগ করে বাস্তবসম্মত অ্যানিমেশন তৈরি করা হয়।
উদাহরণ: 3D সিনেমা। যেমন Frozen, Avatar।
৩। স্টপ মোশন অ্যানিমেশন :
বাস্তব বস্তু ব্যবহার করে ছবি তুলে অ্যানিমেশন তৈরি করা হয়। বস্তু একটু একটু করে সরিয়ে প্রতিবার ছবি তুলে ভিডিও বানানো হয়। যেমন Coraline।
৪। Traditional Animation
হাতে একেকটি ফ্রেম আঁকা হয় (প্রতি সেকেন্ডে ১২–২৪টি ছবি)। সব ছবি দ্রুত চালালে মুভমেন্ট তৈরি হয়।
৫। Motion Graphics
টেক্সট ও সহজ গ্রাফিক্স অ্যানিমেট করে বিজ্ঞাপন, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রেজেন্টেশনে ব্যবহার করা হয়।
৬। Motion Capture
এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বাস্তব মানুষের শরীরের নড়াচড়া রেকর্ড করে তা ডিজিটাল চরিত্র বা 3D মডেলের উপর প্রয়োগ করা হয়। ফলে অ্যানিমেশন অনেক বেশি বাস্তব ও প্রাণবন্ত দেখায়।